বাচ্চাদের কোন দুধ খাওয়ানো ভালো? বাচ্চাদের ফর্মুলা মিল্ক কোনটা ভালো?
দুধ একটি অন্যতম সেরা প্রাণিজ আমিষ যা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে সুলভ মূল্যে সহজলভ্য। এক থেকে দুই বছর বয়সের মধ্যে বাচ্চারা মায়ের দুধ খায় কিন্তু এর পরেও ৫ বছর বয়স পর্যন্ত তাদের দুধের প্রয়োজন আবশ্যক। এই চাহিদা গাভীর দুধ অথবা বাজারে অ্যাভেইলেবল বিভিন্ন ফর্মুলা মিল্ক এর মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব।
এই আলোচনায় আপনাদের জানাতে চলেছি বাচ্চাদের জন্য কোন ফর্মুলা মিল্ক বা কৌটার দুধ ভালো হবে কোন ব্রান্ডের দুধ বাচ্চাদের জন্য সবচেয়ে বেশি ভালো।চলুন দেখি নেই বাচ্চাদের জন্য কোন ব্রান্ডের ফর্মুলা মিল্ক সবচেয়ে ভালো।
বাচ্চাদের কোন দুধ খাওয়ানো ভালো?
বাচ্চাদের ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি ফর্মুলা মিল্ক খাওয়ানো ভালো। তবে ডাক্তারেরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেনুফ্যাকচারিং ফর্মুলা মিল্ক এর পরিবর্তে গাভীর খাটি দুধ খাওয়ানোটা বেশি ভালো বলে মনে করেন।
তাই, যদি সম্ভব হয় আপনার বাচ্চাকে ফর্মুলা মিল্ক এর পরিবর্তে গাভীর খাঁটি দুধ খাওয়ানো চেষ্টা করবেন এতে করে ছোটবেলা থেকেই তার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বাচ্চাদের ফর্মুলা মিল্ক কোনটা ভালো?
বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ডের ফর্মুলা মিল্ক ভিন্ন ভিন্ন নামে সহজে পাওয়া যায় এদের মধ্যে পরিচিত কিছু ফর্মুলা মিল্ক এর নাম হল লেকটোজেন, সিমিল্যাক, নেন ( NAN ) অ্যালফমিল ইত্যাদি। এর মধ্যে কোন ফর্মুলা মিল্ক সবচেয়ে ভালো কোনটি আপনার বাচ্চাকে খাওয়াবেন?
মূলত সব ব্র্যান্ডের ফর্মুলা মিল্কই ভালো ও মানসম্মত হিসেবে বিবেচিত। তবে এদের মধ্যে লেকটোজেন এবং সিমিল্যাক সকলের কাছেই পরিচিত। অথবা আপনি চাইলে একসাথে দুটি ব্র্যান্ড কিংবা প্রথমে সিমিল্যাক ও পরে লেকটোজেন ট্রাই করে দেখতে পারেন।
ল্যাকটোজেন ফরমুলা মিল্ক এর ১,২,৩ কি?
অনেকেই ল্যাক্টোজেন ফর্মুলা মিল্ক কিনতে গিয়ে দ্বিধায় পড়ে যান। কেননা দোকানদার আপনাকে বলবে কোনটা নিবেন ল্যাকটোজেন-১ নাকি ল্যাকটোজেন-২ ইত্যাদি।
আসলে এই ল্যাকটোজেন-১ এবং ল্যাকটোজেন-২ কি? এখানে ১ ও ২ দিয়ে কি বোঝানো হয়। মূলত আপনার বাচ্চার বয়স অনুযায়ী আপনি কোন ল্যাক্টোজেন খাওয়াবেন সেটাই নির্ধারণ করা হয় ল্যাকটোজেন-১ এবং ল্যাকটোজেন-২ এর মাধ্যমে।
যদি আপনার বাচ্চা বয়স ৬ মাসের কম হয় তাহলে তাকে ল্যাক্টোজেন-১ খাওয়ানো উচিত। আর ছয় থেকে বারো মাস বয়সী বাচ্চাদের জন্য ল্যাকটোজেন-২ সবচেয়ে ভালো।
শেষ কথা
বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানো নিয়ে মায়েরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। বুকের দুধ এর বাইরে একজন মা বাইরের কোনো খাবারের ওপর খুব কম ভরসা করে। আর এই দ্বিধা দুর করতে এই প্রতিবেদনে বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
